প্রচ্ছদ » বিষয়বস্তু » বর্ণানুক্রম » ব

বঁধুয়া, হিয়া-পর আও রে

         বঁধুয়া, হিয়া‐পর আও রে!
মিঠি মিঠি হাসয়ি, মৃদু মৃদু ভাষয়ি,   হমার মুখ‐’পর চাও রে!
যুগ‐যুগ‐সম কত দিবস ভেল গত,   শ্যাম, তু আওলি না—
চন্দ‐উজর … [বাকিটুকু পড়ুন]

২৭১ বার পঠিত ১টি মন্তব্য

বঙ্গলক্ষ্মী

তোমার মাঠের মাঝে, তব নদীতীরে,
তব আম্রবনে‐ঘেরা সহস্র কুটিরে,
দোহনমুখর গোষ্ঠে, ছায়াবটমূলে,
গঙ্গার পাষাণঘাটে দ্বাদশ‐দেউলে,
হে নিত্যকল্যাণী লক্ষ্ণী, হে বঙ্গজননী,
আপন অজস্র কাজ করিছ আপনি… [বাকিটুকু পড়ুন]

১৮৬ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বজাও রে মোহন বাঁশি

       বজাও রে মোহন বাঁশি।
সার দিবসক            বিরহদহনদুখ
       মরমক তিয়াষ নাশি॥
রিঝ‐মন‐ভেদন           বাঁশরিবাদন
       কঁহা শিখলি রে কান!—
হানে থিরথির          মরম‐অবশকর
       লহু লহু … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৭৮ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বর্ষশেষ

১৩০৫ সালে ৩০শে চৈত্র ঝড়ের দিনে রচিত

ঈশানের পুঞ্জমেঘ অন্ধবেগে ধেয়ে চলে আসে
          বাধাবন্ধহারা
গ্রামান্তরে বেণুকুঞ্জে নীলাঞ্জনছায়া সঞ্চারিয়া
          হানি দীর্ঘধারা।
বর্ষ হয়ে আসে … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৯১ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বর্ষামঙ্গল

ওই আসে ওই    অতি ভৈরব   হরষে
জলসিঞ্চিত ক্ষিতিসৌরভ‐রভসে
   ঘনগৌরবে নবযৌবনা বরষা
      শ্যামগম্ভীর‐সরসা।
গুরুগর্জনে নীল অরণ্য শিহরে,
উতলা কলাপী কেকাকলরবে বিহরে;
      নিখিলচিত্তহরষা
   … [বাকিটুকু পড়ুন]

২৩৫ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বলাকা

                সন্ধ্যারাগে-ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা
                        আঁধারে মলিন হল, যেন খাপে ঢাকা
                                বাঁকা তলোয়ার!
                দিনের ভাঁটার শেষে রাত্রির জোয়ার
            এল তার ভেসে-আসা তারাফুল নিয়ে কালো জলে;
                   … [বাকিটুকু পড়ুন]

৮১৭ বার পঠিত ২টি মন্তব্য

বসন্ত

অযুত বৎসর আগে হে বসন্ত, প্রথম ফাল্গুনে
              মত্ত কুতূহলী,
প্রথম যেদিন খুলি নন্দনের দক্ষিণদুয়ার
              মর্তে এলে চলি,
অকস্মাৎ দাঁড়াইলে মানবের কুটিরপ্রাঙ্গণে
              পীতাম্বর … [বাকিটুকু পড়ুন]

২৪৩ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বসন্ত আওল রে

                বসন্ত আওল রে!
মধুকর গুন গুন, অমুয়ামঞ্জরী    কানন ছাওল রে।
শুন শুন সজনী, হৃদয় প্রাণ মম    হরখে আকুল ভেল,
জর জর রিঝসে দুঃখদহন সব    … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৯৩ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বহু যুগের ও পার হতে

বহু যুগের ও পার হতে আষাঢ় এল আমার মনে,
কোন্‌ সে কবির ছন্দ বাজে ঝরো ঝরো বরিষনে॥
যে মিলনের মালাগুলি ধুলায় মিশে হল ধূলি
গন্ধ … [বাকিটুকু পড়ুন]

২১৫ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাঁশি

বাঁশির বাণী চিরদিনের বাণী—শিবের জটা থেকে গঙ্গার ধারা, প্রতি দিনের মাটির বুক বেয়ে চলেছে; অমরাবতীর শিশু নেমে এল মর্ত্যের ধূলি দিয়ে স্বর্গ-স্বর্গ খেলতে।

পথের ধারে দাঁড়িয়ে … [বাকিটুকু পড়ুন]

২৬৯ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাঁশি

                        কিনু গোয়ালার গলি।
                          দোতলা বাড়ির
                 লোহার-গরাদে-দেওয়া একতলা ঘর
                            পথের ধারেই।
               লোনাধরা দেয়ালেতে মাঝে মাঝে ধসে গেছে বালি,
                     মাঝে মাঝে স্যাঁতাপড়া দাগ।
               মার্কিন থানের মার্কা একখানা ছবি
                         সিদ্ধিদাতা গণেশের
                                   দরজার ’পরে আঁটা।
                     আমি ছাড়া ঘরে থাকে আর একটি জীব
                                এক ভাড়াতেই,
                                       সেটা টিকটিকি।
                               তফাত আমার সঙ্গে এই শুধু,
                                            নেই তার অন্নের অভাব॥

                     বেতন পঁচিশ টাকা,
                           সদাগরি আপিসের কনিষ্ঠ কেরানি।
        খেতে পাই দত্তদের বাড়ি
               ছেলেকে পড়িয়ে।
        শেয়ালদা ইস্টিশনে যাই,
           সন্ধ্যেটা কাটিয়ে আসি,
               আলো জ্বালাবার দায় বাঁচে।
                    এঞ্জিনের ধস্ ধস্,
                         বাঁশির আওয়াজ,
                              যাত্রীর ব্যস্ততা,
                                  কুলি-হাঁকাহাঁকি।
                                সাড়ে-দশ বেজে যায়,
                     তার পরে ঘরে এসে নিরালা নিঃঝুম অন্ধকার॥

  ধলেশ্বরী-নদীতীরে পিসিদের গ্রাম—
               তাঁর দেওরের মেয়ে,
  অভাগার সাথে তার বিবাহের ছিল ঠিকঠাক।
         লগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল—
              সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।
                    মেয়েটা তো রক্ষে পেলে,
                          আমি তথৈবচ।
  ঘরেতে এল না সে তো, মনে তার নিত্য আসা-যাওয়া—
            পরনে ঢাকাই শাড়ি কপালে সিঁদুর॥

                          বর্ষা ঘনঘোর।
                    ট্রামের খরচা বাড়ে,
              মাঝে মাঝে মাইনেও কাটা যায়।
                    গলিটার কোণে কোণে
              জমে ওঠে, পচে ওঠে
          আমের খোসা ও আঁঠি, কাঁঠালের ভূতি,
                 মাছের কান্‌কা,
                        মরা বেড়ালের ছানা—
               ছাইপাঁশ আরো কত কী যে।
            ছাতার অবস্থাখানা জরিমানা-দেওয়া
                   মাইনের মতো,
                           বহু ছিদ্র তার।
                        আপিসের সাজ
               গোপীকান্ত গোঁসাইয়ের মনটা যেমন,
                    সর্বদাই রসসিক্ত থাকে।
                        বাদলের কালো ছায়া
                    স্যাঁত্‍‌সেঁতে ঘরটাতে ঢুকে
                        কলে পড়া জন্তুর মতন
                             মূর্ছায় অসাড়!
                    দিনরাত, মনে হয়, কোন্ আধমরা
               জগতের সঙ্গে যেন আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে আছি।

               গলির মোড়েই থাকে কান্তবাবু—
                    যত্নে-পাট-করা লম্বা চুল,
                         বড়ো বড়ো চোখ,
                               শৌখিন মেজাজ।
                         কর্নেট বাজানো তার শখ।
                মাঝে মাঝে সুর জেগে ওঠে 
                            এ গলির বীভত্‍‌স বাতাসে—
                কখনো গভীর রাতে,
                         ভোরবেলা আলো-অন্ধকারে,
                কখনো বৈকালে
                         ঝিকিমিকি আলো-ছায়ায়।
                               হঠাত্‍‌ সন্ধ্যায় 
        সিন্ধু-বারোয়াঁয় লাগে তান,
           সমস্ত আকাশে বাজে
               অনাদি কালের বিরহবেদনা।
           তখনি মুহূর্তে ধরা পড়ে 
               এ গলিটা ঘোর মিছে 
        দুর্বিষহ মাতালের প্রলাপের মতো।
           হঠাত্‍‌ খবর পাই মনে,
    আকবর বাদশার সঙ্গে
           হরিপদ কেরানির কোনো ভেদ নেই।
                বাঁশির করুণ ডাক বেয়ে
                     ছেঁড়া ছাতা রাজছত্র মিলে চলে গেছে 
                          এক বৈকুণ্ঠের দিকে॥

         এ গান যেখানে সত্য 
              অনন্ত গোধুলিলগ্নে 
                    সেইখানে 
                        বহি চলে ধলেশ্বরী,
              তীরে তমালের ঘন ছায়া—
                    আঙিনাতে
              যে আছে অপেক্ষা ক’রে, তার
       পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর॥

৪৭৮ বার পঠিত ১টি মন্তব্য

বাংলার মাটি, বাংলার জল

বাংলার মাটি, বাংলার জল,   বাংলার বায়ু, বাংলার ফল—
পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান॥
বাংলার ঘর, বাংলার হাট,   বাংলার বন, বাংলার মাঠ—
পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক হে ভগবান॥
বাঙালির পণ, বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ, বাঙালির ভাষা—
সত্য হউক, সত্য হউক, সত্য হউক হে ভগবান॥
বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন,   বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন—
এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান॥

স্বরবিতান ৪৬। গীতিচর্চা ২

১৬৯ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাণী

ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে আকাশের মেঘ নামে— মাটির কাছে ধরা দেবে ব’লে। তেমনি কোথা থেকে মেয়েরা আসে পৃথিবীতে বাঁধা পড়তে।

তাদের জন্য অল্প জায়গার জগৎ অল্প … [বাকিটুকু পড়ুন]

৪৫৫ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাণীহারা

ওগো মোর     নাহি যে বাণী
    আকাশে হৃদয় শুধু বিছাতে জানি।
        আমি অমাবিভাবরী আলোকহারা
            মেলিয়া তারা
        চাহি নিঃশেষ পথপানে
            নিষ্ফল আশা নিয়ে প্রাণে।
        বহুদূরে বাজে তব বাঁশি,
            … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৯৩ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাদরবরখন, নীরদগরজন

বাদরবরখন, নীরদগরজন,   বিজুলিচমকন ঘোর,
উপেখই কৈছে আও তু কুঞ্জে   নিতিনিতি মাধব মোর।
ঘন ঘন চপলা চমকয় যব পহু,   বজরপাত যব হোয়,
তুঁহুক বাত তব সমরযি … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৭১ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল

বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান,
আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান॥
মেঘের ছায়ায় … [বাকিটুকু পড়ুন]

১,০৯২ বার পঠিত ১টি মন্তব্য

বার বার, সখি, বারণ করনু

বার বার, সখি, বারণ করনু   ন যাও মথুরাধাম
বিসরি প্রেমদুখ রাজভোগ যথি   করত হমারই শ্যাম।
ধিক্ তুঁহু দাম্ভিক, ধিক্ রসনা ধিক্,   লইলি কাহারই নাম।
বোল … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৮৭ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বিচারক

প্রথম পরিচ্ছেদ

অনেক অবস্থান্তরের পর অবশেষে গতযৌবনা ক্ষীরোদা যে পুরুষের আশ্রয় প্রাপ্ত হইয়াছিল, সেও তাহাকে জীর্ণ বস্ত্রের ন্যায় পরিত্যাগ করিয়া গেল। তখন অন্নমুষ্টির জন্য দ্বিতীয় … [বাকিটুকু পড়ুন]

২২৫ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বিদায়

বসন্ত সে যায় তো হেসে, যাবার কালে
     শেষ কুসুমের পরশ রাখে বনের ভালে।
               তেমনি তুমি যাবে জানি,
          ঝলক দেবে হাসিখানি,
অলক হতে কসবে অশোক নাচের তালে।

ভাসান-খেলার … [বাকিটুকু পড়ুন]

১৯৫ বার পঠিত মন্তব্য করুন

বিদায়

বিভাস

       এবার চলিনু তবে।
সময় হয়েছে নিকট, এখন
       বাঁধন ছিঁড়িতে হবে।
উচ্ছল জল করে ছলছল,
জাগিয়া উঠেছে কলকোলাহল,
তরণীপতাকা চলচঞ্চল
       কাঁপিছে অধীর … [বাকিটুকু পড়ুন]

২৩০ বার পঠিত মন্তব্য করুন